বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের কমিটি
বাণিজ্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়টি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গঠিত কমিটি শিল্পে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবে এবং বাণিজ্য সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমন্বয় ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি
আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে রাখা হয়েছে আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে। উক্ত কমিটি নিয়মিতভাবে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং তাদের কার্যক্রম মনিটর ও সমন্বয়ের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই গঠন, কমিটির কার্যকারিতা ও যোগাযোগব্যবস্থার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গঠিত কমিটি বাণিজ্য সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ ও সমন্বয় বৃদ্ধি করা নিশ্চিত করবে।
বৈঠকে নেওয়া অন্যান্য সিদ্ধান্ত
স্থায়ী কমিটির সভায় ২০০৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা, গায়েবি ও বানোয়াট মামলার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এই সময়ের মধ্যে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানাতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের মধ্যে সব দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান এবং প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনজীবী ফোরামের সব জেলার কমিটিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা এবং তাদের তালিকা প্রস্তুত করারও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বৈঠকে গঠিত কমিটি উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও শিল্পোমুখী সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ চালিয়ে রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয় করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত ও গঠিত কমিটির কার্যমাপকাঠি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতেই বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
কমিটি গঠন ও বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম ভবিষ্যতে দলীয় সূত্রে প্রয়োগযোগ্য নীতি ও সমন্বয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে লক্ষ্য করা হয়েছে।