জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের রাজধানীর উত্তরার বাসায় সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পরিদর্শনে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। এই সাক্ষাতে তিনি আ স ম আবদুর রবের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন এবং তার সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।

সাক্ষাত ও সময়

সোমবার বিকেলে উত্তরার আ স ম আবদুর রবের বাসায় উপস্থিত হন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। ওই সময়ে দুই নেতা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেখা ও আলোচনায় মিলিত হন। সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই সাক্ষাতটি ব্যক্তিগতভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে আ-স-এম আবদুর রবের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আলোচনা ও প্রধান বিষয়বস্তু

বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়। ইসলামি আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির হিসেবে মুফতি ফয়জুল করীম আ স ম আবদুর রবের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং তার সুস্থতার জন্য দোয়া জানান। একইবার্তায় বলা হয়েছে, আলোচনা চলাকালে তারা দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থার ওপর মন্তব্য করেছেন এবং বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করেছেন।

সাক্ষাৎপ্রসঙ্গে উপস্থিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যমতে, মুফতি ফয়জুল করীম আ স ম আবদুর রবের প্রতি শুভকামনা ও সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন। তারা একে অপরের সঙ্গে বর্তমান রাজনৈতিক ফ্রেমওয়ার্ক এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা ভাগাভাগি করেন। উপস্থিত আলোচনা সংক্ষেপে রাজনৈতিক আর সামাজিক অবস্থা ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ভাবনা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলে জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনের উদ্দেশ্য

পরিদর্শন প্রদর্শিত ছিল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সংলাপের উদ্দেশ্যে। মুফতি ফয়জুল করীম উপস্থিত থেকে আ স ম আবদুর রবের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন এবং তাদের মধ্যে ঘটে যাওয়া আলাপ-আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অগ্রগতি ও পরিস্থিতি সম্পর্কে বিনিময় হয়।

উল্লেখ্য, এই সাক্ষাতের সময় ও স্থান নির্ধারণ এবং উপস্থিত বিচারে প্রকৃত ঘটনার বিবরণ সংক্ষিপ্তভাবে সামনে এসেছে; সাক্ষাত ও আলোচনা সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্যে মূল ফোকাস ছিল আ স ম আবদুর রবের স্বাস্থ্যের খোঁজ ও তাদের পারস্পরিক আলোচনা।

সাক্ষাত থেকে প্রতীয়মান তথ্য অনুযায়ী, মুফতি ফয়জুল করীম আ স ম আবদুর রবের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেছেন এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান।