বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা হয়েছেন ল্যাবএইড হাসপাতালে, যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমি ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ মারা যান। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

ফখরুলের মন্তব্য

মির্জা ফখরুল বলেছেন, হাসান আরিফের শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন যে মরহুম শুধুমাত্র সুনামধন্য আইনজীবী ছিলেন না, বরং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী একজন মানুষও ছিলেন। মির্জা ফখরুল হাসপাতালে গিয়ে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে তার সমবেদনা জানিয়েছেন।

“হাসান আরিফ শুধু সুনামধন্য আইনজীবী ছিলেন না, তিনি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন। এখন গণতন্ত্রে উত্তরণের যে কাজ শুরু হয়েছে সেখানে তার খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। আমি বিশেষ করে আমার একজন সুহৃদকে হারিয়েছি। দেশ হারিয়েছে একজন দেশপ্রেমিক মানুষকে।”

ঘটনার বিবরণ

একই দিনে বিকেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল পৌঁছানোর পর মির্জা ফখরুল মরহুমের বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া ও শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

কার্যক্রম ও মৃত্যুর প্রভাব

মরহুমের মৃত্যুর প্রেক্ষিতে চলমান সংস্কার কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেছেন যে কার্যক্রম চলছে ও চলবে এবং এতে বেশি সমস্যা হবে না।

“কার্যক্রম ওটা চলছে, চলবে, বেশি সমস্যা হবে না।”

প্রাথমিক নিশ্চিতকরণ

মরহুমের একান্ত সচিব (পিএস) মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের সাথে যোগাযোগের বিষয়টি হাসপাতালের তরফে পরিচালিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ এফ হাসান আরিফ ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন স্তরে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে।