অসুস্থ শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা
সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সার্বিক খরচ জোগাতে না পেরে চরম সংকটে পড়েছিলেন এক অসহায় বাবা। চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে তিনি সাহায্যের আকুল আবেদন জানান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিকের কাছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়া মাত্রই শিশুটির পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এই ছাত্রনেতা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই অসহায় ব্যক্তি তার গুরুতর অসুস্থ শিশুর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে গিয়ে মারাত্মক আর্থিক টানাফোড়েনের মধ্যে পড়ে যান। একপর্যায়ে সন্তানের নিয়মিত ওষুধ কেনা এবং সার্বিক চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁর পক্ষে একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ে। চরম উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগের মুখে কোনো উপায় না দেখে তিনি ছাত্রদল নেতা তারিকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন এবং আর্থিক সহযোগিতার অনুরোধ জানান।
দ্রুত আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার
অসহায় বাবার করুণ আবেদন পাওয়ার পর বিন্দুমাত্র বিলম্ব না করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সাড়াদান করেন তারিক। শিশুটির জরুরি চিকিৎসা যাতে কোনোভাবেই ব্যাঘাত না ঘটে বা থমকে না যায়, সে লক্ষ্যে তিনি তাত্ক্ষণিকভাবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠাইয়ে দেন। তাঁর এই তাৎক্ষণিক উদ্যোগের ফলে শিশুটির জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ক্রয় এবং চিকিৎসাসেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়, যা শিশুটির পরিবারকে এক বড় ধরনের উদ্বেগ থেকে মুক্তি দেয়।
বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ছাত্রনেতা তরিকুল ইসলাম তারিক ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সময়ে সমাজের অসহায়, দরিদ্র, নিপীড়িত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তিনি প্রতিনিয়ত শিক্ষা, জরুরি চিকিৎসা এবং নানা সামাজিক প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন, যা ইতোমধ্যে সর্বমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।
মানবিক সমাজ গঠনে সবার এগিয়ে আসার আহ্বান
এই মানবিক উদ্যোগের বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদল-এর সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তারিক বলেন, “মানুষের সেবায় এগিয়ে আসা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব। মানুষ তো মানুষের জন্যই। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান প্রতিটি মানুষের উচিত নিজেদের জায়গা থেকে অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।”
তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে আরও যোগ করেন, “আমি আমার ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী অসুস্থ শিশুটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সহযোগিতার ছোট্ট চেষ্টা করেছি মাত্র। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও যেকোনো সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সবসময় সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রাখতে চাই এবং মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে চাই।”
ছাত্রনেতার এই নিঃস্বার্থ ও প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল, সাধারণ নাগরিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা সামাজিক প্ল্যাটফর্মে ও বিভিন্ন মাধ্যমে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, তারিকের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করে সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও যদি সুবিধা বঞ্চিত ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় এগিয়ে আসেন, তবে অনেক মূল্যবান জীবন রক্ষা পাবে এবং একটি সুন্দর মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
#মানবিকতা #চিকিৎসাহায়তা #ছাত্রদল #বাংলাদেশ