দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নেওার পর আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন।

ফিরার সময় ও যাতায়াত

শায়রুল কবির খানের বরাত দিয়ে প্রকাশিত বিবরণে বলা হয়েছে যে মির্জা আব্বাস বুধবার রাত সাড়ে নয়টার আগে বা নির্দিষ্ট সময় রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন। তিনি মালয়েশিয়া থেকে সরাসরি দেশে ফিরছেন বলে সংবাদে বলা হয়েছে। ফেরার সময়সূচি এবং বিমান সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে এই প্রাথমিক বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।

চিকিৎসা পরিক্রমা ও বর্তমান অবস্থা

শায়রুল কবির খানের বক্তব্য অনুযায়ী মির্জা আব্বাস বর্তমানে অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়ার পর মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থায় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। সংবাদে বলা হয়েছে যে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তিনি যথাক্রমে সিঙ্গাপুর ও পরে মালয়েশিয়ায় ছিলেন।

রোগভাগ ও চিকিৎসার সূত্রপাত

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মির্জা আব্বাস গত ১১ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং প্রধান শহরে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলেন। সেখানে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন বিবেচনায় তাঁকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাঁকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল।

সংক্ষিপ্ত তথ্যে বলা হয়েছে যে দীর্ঘ সময়ে হাসপাতালে এবং বিদেশে চিকিৎসার পর ফেরার সিদ্ধান্ত করা হয়েছে এবং স্বজনরা ও দলের সংশ্লিষ্টরা এই পরিকল্পনার বিষয়ে অবগত রয়েছেন বলে বলা হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী ব্যবস্থা

শায়রুল কবির খান দেশ ফেরার সময় ও সুস্থতার কথা নিশ্চিত করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে দলের বা চিকিৎসক মহলের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তত্ত্বাবধানে সম্পর্কে অতিরিক্ত বিবরণ প্রদত্ত হয়নি। এদিকে ফেরার পর কি ধরনের পর্যবেক্ষণ বা পুনর্বাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সে সংক্রান্ত কোন নতুন ঘোষণা বিস্তারিতভাবে উত্থাপন করা হয়নি।

বিবরণ অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের দেশে প্রত্যাবর্তন নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে সম্পন্ন হলে তা দলের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও পরিবারের ব্যবস্থাপনায় হবে বলে জানানো হয়েছে।