আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। শনিবার বিকেলে গুলশানে অবস্থিত বিএনপি-র রাজনৈতিক কার্যালয়ে অত্যন্ত গম্ভীর ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে এই স্মরণসভা এবং মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ সারির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন স্তরের অগণিত নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে রুহের মাগফিরাত কামনা

আয়োজিত এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, এবং নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যানের বিশেষ উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ও মাহাদী আমিনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন সারির নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মরহুমের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়। একইসঙ্গে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু প্রার্থনা করে পরম করুণাময়ের দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

গণতান্ত্রিক চেতনা ও জাতীয় ঐক্যের উদাত্ত আহ্বান

এই স্মরণসভায় কেবল ধর্মীয় প্রার্থনাই অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশবাসীকে একতাবদ্ধ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়। সমবেত নেতাকর্মীরা দেশের সামগ্রিক সার্বিক উন্নতি, প্রগতিশীল মূল্যবোধ এবং গণতান্ত্রিক চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাত্মতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন যে, দেশে ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে হলে সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া অঙ্গনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন, উপস্থিত সকলেই অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে তা স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকল স্তরের নেতাকর্মীরা দেশকে একটি প্রগতিশীল, সুসংগঠিত এবং গণমানুষের অধিকার রক্ষাকারী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার প্রতি যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা সর্বস্তরের জনগণকে যেকোনো পরিস্থিতিতে একবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে এক বিশেষ মানবিক ও সামাজিক মেলবন্ধনের আবহ সৃষ্টি হয়, যা নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের সঞ্চার করে। স্মরণসভা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তোবারক বিতরণ করা হয় এবং জাতীয় সংহতির বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

#রাজনীতি #বাংলাদেশ #সংবাদ #বিএনপি