চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ঢাকার চীনা দূতাবাসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সংগঠনের নেতৃত্ব এবং চীনা কুটনৈতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই পক্ষ দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচন ও সমসাময়িক বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে মত বিনিময় করেন।

বৈঠকের মূল পয়েন্ট

দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে তরুণদের ভূমিকা এবং তাদের সাহসী-সংগ্রামী মনোভাবের প্রশংসা করেন এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনে তরুণ নেতৃত্বের জন্য শুভকামনা জানান। রাষ্ট্রদূত বৈঠকে চীনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বাংলাদেশকে চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দেশটিতে চলমান পরিস্থিতি, আসন্ন নির্বাচন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

উপস্থিতরা এবং তাদের বক্তব্য

গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। এছাড়া উচ্চতর পরিষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক খায়রুল আমিনও বৈঠকে ছিলেন।

  • চীনা রাষ্ট্রদূত: ইয়াও ওয়েন
  • গণঅধিকার পরিষদ: নুরুল হক নুর (সভাপতি)
  • গণঅধিকার পরিষদ: মো. রাশেদ খান (সাধারণ সম্পাদক)
  • গণঅধিকার পরিষদের আরও উপস্থিত সদস্য: আরিফুল ইসলাম, খায়রুল আমিন
  • দূতাবাসের আরও উপস্থিত ছিলেন দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকতা

প্রধান অনুরোধ ও আলাপচারিতা

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করার পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের সংস্কার, নির্বাচন ও আগামীর বাংলাদেশ সম্পর্কে পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান। এছাড়া বৈঠকে চীনা দূতাবাস বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সকল অংশীজনকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

চীনের প্রতিনিধিত্বকারী কূটনৈতিকরা বৈঠককালে সংগঠনের পরিকল্পনা ও চাহিদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গ্রহণ করেন এবং উন্মুক্ত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রদূত গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধিসহ চীন সম্পর্কে আগ্রহীদের চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকের সময়সীমা ও সংগঠনের ভূমিকা

অফিশিয়াল সময়সূচী অনুযায়ী, বৈঠকটি প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে। আলোচনায় রাজনৈতিক ও সমসাময়িক বিষয়াবলী ছাড়াও দুই পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়ানোর সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে কথা বলেন। গণঅধিকার পরিষদ পক্ষ থেকে সংগঠনের প্রধানদের উপস্থিতি বৈঠককে আনুষ্ঠানিক ও প্রতিনিধিসুলভ করেছে।

ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়ন ও সহযোগিতা প্রসঙ্গে দুই পক্ষের মধ্যে আরও সংলাপ ও সাক্ষাৎকার হতে পারে—এমন ইঙ্গিত বৈঠক থেকে পাওয়া যায়। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আলোচনা পরিবেশ এবং বিনিময়িত তথ্যকে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে জানা গেছে।