বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করেছে। প্রতিষ্ঠার পর এটি জামায়াতের জন্য একটি অনুকূল সময়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সমাবেশে দেশের ডানপন্থী ও ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। জাতীয় নির্বাচন আনুপাতিক হারে করা এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আগে দেওয়াসহ সাত দফা দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য দেন। সমাবেশের উদ্দেশ্য ও সভাপতিত্ব জামায়াতে ইসলামী তাদের সাত দফা দাবি নিয়ে এই জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করে। এই দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল জাতীয় নির্বাচন আনুপাতিক হারে সম্পন্ন করা এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আগে দেওয়া। সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই দাবিগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং সমমনা দলগুলোর সমর্থন আদায় করা। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, যা দলের সাংগঠনিক শক্তির একটি প্রদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথি ও বক্তারা সমাবেশে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ইসলামী আন্দোলনের অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন নেজামে ইসলামের মুসা বিন ইযহার বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব ড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম খেলাফত আন্দোলনের আমির আবু জাফর কাসেমী জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড. ফয়জুল হক এছাড়াও, কয়েকজন শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধারাও এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। বিভিন্ন দলের নেতাদের উপস্থিতি সমাবেশের গুরুত্ব বৃদ্ধি করে এবং জামায়াতের দাবির প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশগ্রহণ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারাও সমাবেশে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বক্তব্য প্রদান করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন: কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কেন্দ্রীয় নেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল মো. সেলিম উদ্দিন অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন সরকার ছাত্রশিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম সাবেক সভাপতি সাদিক কাইয়ুম এই নেতারা দলের অবস্থান এবং সমাবেশের সাত দফা দাবির পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন, যা উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। সমাবেশ পরিচালনা ও অন্যান্য উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সমাবেশটি সফলভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম। তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সমাবেশটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। এছাড়াও, সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দলের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি মাওলানা আনম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান, সাইফুল আলম খান মিলন, আবদুর রব, অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ এবং মোবারক হোসাইন।