জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে বিএনপি নারী এমপিদের শ্রদ্ধা নিবেদন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-র মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সর্বাত্মক নেতৃত্বে দলের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ও মনোনীত সংসদ সদস্যরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সোমবার দুপুরে রাজধানী ঢাকা-র শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে উপস্থিত হয়ে তারা এই আনুষ্ঠানিক পুস্পস্তবক অর্পণ ও গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নেতৃবৃন্দ ফাতেহা পাঠ করেন এবং দেশের সার্বিক মঙ্গল ও মরহুম নেতাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়ায় অংশ নেন।

জনগণের অধিকার আদায়ে দৃঢ় অঙ্গীকার

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান শেষে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময়কালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন যে, সংরক্ষিত নারী আসনের এই সংসদ সদস্যরা অত্যন্ত সাহস, অসীম ধৈর্য এবং নিষ্ঠার সাথে দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে সার্বিক কাজ করে যাবেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে দেশের রাজনীতিতে শিক্ষিত, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণীদের ব্যাপকভাবে এগিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। তরুণ প্রজন্ম তাদের দূরদর্শী চিন্তা, আধুনিক চেতনা এবং প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের সবাইকে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে দেশ’ এই পরম মূলমন্ত্রকে হৃদয় ও চেতনায় ধারণ করে সর্বদা ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।” তিনি সকল নারী সংসদ সদস্যদের কেবল জাতীয় সংসদের আলোচনার ভেতরেই নিজেদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না রেখে রাজপথের প্রতিটি অধিকার আদায়ের দাবিতে সক্রিয় ও দৃশ্যমান থাকার জোরালো আহ্বান জানান।

তিনি আরও যোগ করেন যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মহান আদর্শ এবং আমাদের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের জনগণের মৌলিক ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সার্বিক গণতন্ত্র সুরক্ষায় সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দেশের যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে রাখার ঐতিহাসিক অঙ্গীকার পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করেন। জিয়া উদ্যানের এই বিশেষ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা দলের জাতীয়তাবাদী আদর্শিক রাজনীতিকে আরও বেগবান করবে।

#রাজনীতি #বাংলাদেশ #বিএনপি #সংবাদ