আগামী বছরের হজ মরসুমে অনুমোদিত ১০৯টি হজ এজেন্সির মধ্যে একজনও প্রাক-নিবন্ধন না করায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সেই এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুমোদিত ভ্রমণকারীদের তালিকায় থাকা এই এজেন্সিগুলো হজ ২০২৫ মৌসুমে প্রাথমিক নিবন্ধন না করার কারণ স্পষ্ট করলে তা দাখিল করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ও চিঠির কথা

মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন না করার জন্য কেন ওই এজেন্সিগুলোকে হজ ২০২৫ মৌসুমের যোগ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে যথাযথ কারণ জানান। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত শর্তাবলী ১(ঝ) এর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রেক্ষাপট ও পরিসংখ্যান

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হিজরি ১৪৪৬/২০২৫ সালের হজের জন্য মোট ৯৩৭টি হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তালিকাভুক্ত এসব এজেন্সির মধ্যে ১০৯টির কোনো প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রী নেই—এটি মন্ত্রণালয়ের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

  • মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত মোট এজেন্সি: ৯৩৭
  • প্রাক-নিবন্ধনশূন্য এজেন্সি: ১০৯
  • সরকারি ও বেসরকারি মিলিত হজ কোটা: ১,২৭,১৯৮
  • এখন পর্যন্ত প্রাথমিক নিবন্ধনকারী হজযাত্রীর মোটসংখ্যা: প্রায় ৪২,০০০

নিবন্ধন সময়সীমা ও প্রশাসনিক সাবধানতা

প্রাথমিক নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়সীমা আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মন্ত্রণালয় জানায়, নিবন্ধনে প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় সময়সীমা আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় চিঠিতে সতর্ক করেছে যে, তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি যদি হজ ২০২৫ মৌসুমে যৌক্তিক কারণ ছাড়া হজযাত্রী নিবন্ধন না করে, তবে শর্তাবলী অনুসারে সেই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কার্যপ্রণালী ও প্রত্যাশিত পদক্ষেপ

চিঠিতে যেসব এজেন্সিকে লক্ষ করা হয়েছে, তাদের মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যাখ্যার ভিত্তিতেই মন্ত্রণালয় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে—যেমন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া বা অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। মন্ত্রণালয়ের নথিতে থাকা তথ্যের ভিত্তিতেই এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠি ও প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে, তা ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই চূড়ান্ত করা হবে।