আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব: আসিফ মাহমুদের বিশেষ আমন্ত্রণ
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের যুব নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ কোরিয়া-র ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদাপূর্ণ নগরী গুয়াংজু-তে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরাম (WHRCF) ২০২৬’-এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ সেশনে যোগদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক সফল উপদেষ্টা এবং উদীয়মান রাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সম্প্রতি ইউনেস্কোর সহযোগী সংস্থা এপিসিআইসি-র পক্ষ থেকে তার কাছে এই অফিসিয়াল নিমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।
বৈশ্বিক ফোরামে প্রতিনিধিত্ব ও আয়োজনের লক্ষ্য
আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফোরামের অন্যতম প্রধান আয়োজক প্রতিষ্ঠান জিআইসি-র অন্তর্ভুক্ত ডব্লিউএইচআরসিএফ সচিবালয়ের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা এক বিশেষ ইমেইল বার্তার মাধ্যমে আসিফ মাহমুদকে এই গুরুত্বপূর্ণ সেশনে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, তরুণ এই নেতাকে মূলত জাতীয় নাগরিক পার্টি-র অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে এই আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত ও প্রস্তাব করা হয়েছে।
আয়োজক বিশ্ব সংস্থার পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ইউনেস্কো-এপিসিআইসি মূলত সমগ্র এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন শহরগুলোর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে কাজ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো একটি “সম্পূর্ণ অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং সুসংহত নগর পরিবেশ নিশ্চিতকরণে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা”। পৃথিবীর নগরসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আধুনিক টেকসই নগরায়ণের চমৎকার সব বিশ্বমানের পদ্ধতিগুলো শেয়ার করার স্বার্থে এই সম্মেলনটি একটি চমৎকার বিশ্বমঞ্চ।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও টেকসই নগর উন্নয়নের দিগন্ত
সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্রে বৈশ্বিক আয়োজক সংস্থা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছে যে, আসিফ মাহমুদের মতো তরুণ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই আন্তর্জাতিক সেশনে নিশ্চিতভাবেই একটি সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা যোগ করবে। তার উপস্থিতি বিভিন্ন দেশের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপন, সুশীল সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা অন্বেষণে অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে।
সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদী বিশ্বব্যাপী অবদান
উল্লেখ্য, ইউনেস্কো এপিসিআইসি মূলত ইউনেস্কোর বিশ্ববিখ্যাত আন্তর্জাতিক জোট ‘ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন অব ইনক্লুসিভ অ্যান্ড সাসটেইনেবল সিটিস (ICCAR)’-এর সাতটি অত্যন্ত প্রভাবশালী আঞ্চলিক জোটের অন্যতম একটি শীর্ষস্থানীয় শক্তিশালী অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। এটি দীর্ঘ সময় ধরে ২০০৬ সাল থেকে সফলভাবে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষা, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক সুষম নগর উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব তরুণদের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যেতে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
#আন্তর্জাতিক #মানবাধিকার #বাংলাদেশ #দক্ষিণকোরিয়া #এনসিপি