বিএনপির স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভার তারিখ পরিবর্তন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ঐতিহাসিক উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভার পূর্বনির্ধারিত তারিখে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী সভাটি ২৫ মার্চ বুধবার দুপুর আড়াইটায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে বিশেষ কিছু অনিবার্য ও অপরিহার্য কারণবশত উক্ত তারিখ পরিবর্তন করে ২৭ মার্চ শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক বার্তা ও প্রস্তুতি

দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভার তারিখ পরিবর্তনের এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, নির্ধারিত সময়ে সভার সকল কার্যক্রম অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক দলটির এই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন বিশিষ্ট দলীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। একইসাথে সভায় দলীয় শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদগণ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেবেন।

অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য, দিকনির্দেশনা ও সার্বিক গুরুত্ব

দলীয় সূত্র জানায়, দেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস, এর পেছনের চেতনা এবং জাতীয় জীবনের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করাই এই অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল লক্ষ্য। এর পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নাগরিক দায়িত্ব ও কতর্ব্য সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। বিএনপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সভাটি সফলভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে যাবতীয় সার্বিক সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতিপূর্বে সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটির প্রতিটি পর্ব যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে সুসম্পন্ন হতে পারে, সে বিষয়ে দলীয় নীতি নির্ধারণী ফোরামের পক্ষ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।

নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের বিশেষ বার্তা

পরিবর্তিত নতুন সময়সূচী অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন এলাকা ও রাজপথ থেকে সকল সারির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ জনগণের উপস্থিতিকে ব্যাপকভাবে জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই জাতীয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য হৃদয়ে ধারণ করে সভার শৃঙ্খলা বজায় রেখে সকলকে নির্দিষ্ট স্থানে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজপথের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সভাটিকে সফল করে তোলার জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

#রাজনীতি #বাংলাদেশ #বিএনপি #সংবাদ