তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজন
বিএনপি-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং তাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপলক্ষে সাধারণ মানুষের সম্ভাব্য যাতায়াত কষ্ট ও নাগরিক ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আগেভাগেই আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে দলটি। রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে দলীয় নীতিনির্ধারকদের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বক্তব্য রাখা হয়। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, এই জাতীয় শুভ মুহূর্তে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও সার্বিক স্বাচ্ছন্দ্য রক্ষা করা তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের রূপরেখা ও সফরসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও সংবর্ধনা ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক এবং দলের স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে নিশ্চিত করেন যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রিয় মাতৃভূমিতে পদার্পণ করার পরপরই তিনি সরাসরি গুলশানের এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে চিকিৎসাধীন দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে ও তার শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নিতেই তিনি দ্রুত উপস্থিত হবেন।
হাসপাতালে যাওয়ার যাত্রাপথে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ৩০০ ফিট বিস্তৃত সড়কজুড়ে আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সশরীরে যোগ দেবেন। সেখানে দেশের সর্বস্তরের জনতার অকৃত্রিম ভালোবাসা, নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন এবং ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করে সর্বসাধারণ ও দেশবাসীর প্রতি অশেষ ভালোবাসা ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবেন। সংবর্ধনা কমিটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, উক্ত সুবিশাল গণসংবর্ধনা মঞ্চে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ব্যতীত অন্য কোনো নেতা বা প্রতিনিধি বক্তব্য প্রদান করবেন না।
জনদুর্ভোগ হ্রাস ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলা
রাজধানীর মতো একটি ব্যস্ততম নগরে একটি বিশাল সমাবেশ আয়োজনের ফলে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চলাচলে নানা ধরনের সাময়িক বিঘ্ন ঘটার স্বাভাবিক শঙ্কা থেকেই যায়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই দলের নীতিনির্ধারকবৃন্দ আগাম দুঃখ প্রকাশের মাধ্যমেই তাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ প্রকাশ করেছেন। বিএনপি নেতাদের মতে, এই ঐতিহাসিক সফর ও জাতীয় উদযাপনে দেশবাসীর সমর্থন অত্যন্ত অকৃত্রিম এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সকল স্তরের জনগণের পূর্ণ সহায়তা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
দলটি আরও সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে যে, তাদের কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রধান সড়কে যানজট প্রতিরোধ ও সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। জনস্বার্থ রক্ষা ও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোই এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের মূল অঙ্গীকার।
#রাজনীতি #বাংলাদেশ #তারেক_রহমান #সংবাদ