বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা করেন। সভায় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন বিনিময় ও সম্প্রদায়ভিত্তিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভা ও উপস্থিতি

গত শনিবার অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সভাপতিত্ব করেন। সভায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতারা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বঙ্গোপসাগর বা জেলা-সংস্কৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে অন্য কোনো বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি; সভার মূল বিষয় ছিল ন্যায্য অধিকার ও বসবাস সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা।

ফখরুলের বক্তব্য

সভায় মির্জা ফখরুল বলেন যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে সব নাগরিকের জন্য বসবাসে সমান সুযোগ তৈরি করা উচিত এবং সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উপস্থিতদের কাছে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।

“বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে সব নাগরিকের বসবাসে সমান সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

অন্যান্য উপস্থিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবেচনা

সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। তিনি সভায় অংশ নিয়ে নেতাদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন বলে সভা সূত্রে জানা যায়। সভায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের অধিকার ও জীবিকার নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সেই বিষয়ে রাজনৈতিক স্তরে আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আলোচ্য বিষয়গুলোর সারমর্ম

বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে প্রধান ছিল বসবাসের অধিকার, সামাজিক সমতা ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণসূচি নিয়ে সমন্বয় করার প্রয়োজনীয়তা। মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে বারবার এই কথা প্রতিফলিত হয় যে সব নাগরিককে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে এবং বিভিন্ন স্তরে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

সভাটি মূলত সাংবাদিক বা বাহ্যিক পর্যবেক্ষণের জন্য খোলা ছিল না; এতে অংশগ্রহণকারীদের অভিপ্রায় ও দাবি আলোচনা করা হয়েছিল। সভার শেষভাগে মির্জা ফখরুল এবং উপস্থিত নেতৃবৃন্দ পরস্পরের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা চালিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

সভা থেকে প্রত্যাশা করা হয় যে আলোচ্য বিষয়গুলো ভবিষ্যতে পথনির্ধারণে সহায়ক হবে এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষণে রাজনৈতিক স্তরে মনোযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।